About GREC

For English description, please scroll down to the bottom. GREC uses Bangla as the means of communication and dissemination of information because we have data-driven evidence that our visitors are more engaged and better retainer of the information if they receive it in Bangla.

 

দ্য গ্র্যাজুয়েট রিসোর্সেস এনহেন্সিং সেন্টার বা সংক্ষেপে গ্রেক (GREC) একটি বাংলাদেশী হিতৈষী সামাজিক-ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান উদ্দেশ্য বাংলাদেশী গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্টদের বিভিন্ন স্ট্যান্ডার্ডাইজড পরীক্ষায় প্রস্তুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপসহ ভর্তিতে সহযোগিতা করা। যেহেতু আমাদের বাংলাদেশে চারটি শাখা রয়েছে যেগুলোতে আমরা জিআরই, আয়েল্টস, এসএটি প্রভৃতি কোর্স করাই, প্রথম সংজ্ঞায় আমাদের কোচিং সেন্টার হিসাবেই চিনতে সুবিধা হবে। কিন্তু প্রথাগত কোচিং সেন্টার যা করতে পারে না, আমরা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে 2008 সাল থেকে সেসব হিতৈষী কর্মকাণ্ড সম্পাদন করে আসছি।

প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস:

2008 সালে মামুন রশিদ গ্রেকের প্রতিষ্ঠা করেন এবং সে সময় থেকে বাংলাদেশে যাবতীয় কার্যক্রমের প্রধান হিসাবে নেতৃত্বে থাকেন বিলকিস জাহান। 08-08-08 তারিখে মামুন রশিদ ইউএসএ’র টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে আসেন। যাত্রাপথে প্লেনের মধ্যেই গ্রেকের প্রাথমিক কার্যক্রম ও ওয়েবসাইটের নকশা সহ সবকিছুর খসড়া তৈরী করা হয়। প্রথম কয়েক মাসে গ্রেকের সকল কাজকর্ম কেবল ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে তথ্য বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সে সময় গ্রেকের নাম ছিল জিআরই সেন্টার এবং grecenter.net নামের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সব তথ্য বিতরণ করা হতো। জিআরই সেন্টারের কোর্স ডেভেলপমেন্ট ও লেকচার শীট তৈরী সহ ওয়েবসাইটের সব কাজ মামুন ইউএসএ থেকে করেন এবং কোর্স পরিচালনা, বিপনন ও মানবসম্পদ নিয়ন্ত্রণের সবকিছু বাংলাদেশে বিলকিস জাহান সুনিপুনভাবে পরিচালনা করতে থাকেন। গ্রেকের পরিচিতি ও ব্যবসায়িক সাফল্যের পেছনে এই দুইজন মানুষের ছন্দবদ্ধ সংগঠন মূল চালিকা ছিল। ঢাকার জিগাতলার কাছে একটি প্রতিষ্ঠানে এক রুমের সাবলেট হিসাবে জিআরই সেন্টার যাত্রা শুরু করে। প্রথম তিন মাসে গ্রেকের স্টুডেন্ট সংখ্যা ছিল শূন্য। কিন্তু প্রথম ব্যাচ শুরু করার পর থেকে আমাদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং কোর্সের গুণগত মান সম্পর্কে ধীরে ধীরে এর পরিচিতি বাড়তে থাকে এবং সনাতন ধারার কোচিং সেন্টার থেকে আমাদের পথিকৃতের কথা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আমাদের প্রধান মার্কেটিং টুল ছিল “ওয়ার্ড অব মাউথ” অর্থাৎ আমাদের নিজেদের স্টুডেন্টদের কাছ থেকেই অন্যদের কাছে তথ্যের প্রবাহ।

লোগো ও নাম:

প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে 2015 সাল পর্যন্ত আমরা “জিআরই সেন্টার” নামে পরিচিত ছিলাম। কেবলমাত্র জিআরই’র মধ্যে আমাদের পরিচয় সীমাবদ্ধ রাখার ধারণা থেকে বের হয়ে আসার অংশ হিসাবে আমাদের নাম পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান গ্রেক করা হয়। একই সাথে লোগোও পরিবর্তিত হয়। পরিবর্তিত লোগোগুলো নীচের ছবিতে দেখানো হলো।

লোগোতে ব্যবহৃত সংকেত:

জীবদেহে কোষের শক্তিঘর বলা হয় মাইটোকন্ড্রিয়াকে (একবচনে মাইটোকন্ড্রিওন)। গ্রেকের মূল প্রতিপাদ্য যেহেতু গ্র্যাজুয়েটদের রিসোর্স বা সম্পদ বৃদ্ধি (Enhance) করা, এবং বৃদ্ধির সাথে শক্তি (Energy) এর সম্পর্ক রয়েছে, আমরা তারুণ্যের এই প্রাণশক্তিকে জীবকোষের মাইটোকন্ড্রিয়নের নকশার মাধ্যমে প্রকাশের ধারণা গ্রহণ করি। গ্রেক লোগোর R এবং C এর মাঝের এই বিশেষ চিহ্নটি ইলেকট্রনিক্সের দুটি ইনটিগ্রেটেড সার্কিট কম্বের মিলিত অবস্থাও বলা যেতে পারে, যা তরুণদের পারষ্পরিক সহযোগিতা ও নেটওয়ার্কিং এর গুরুত্ব প্রকাশ করে।

গ্রেকের সম্পূর্ণ লোগোর পরিবর্তে কেবলমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়নের চিহ্ন দিয়েও সংক্ষিপ্ত লোগো ব্যবহার হয়ে থাকে। নীচের ছবিতে এটি দেখানো হলো।

শাখা ভিত্তিক কর্মকান্ড:

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে গ্রেকের চারটি শাখা রয়েছে। গ্রেক যাত্রা শুরু করে লালমাটিয়া থেকে। তারপর বনানীতে দ্বিতীয় শাখা স্থাপিত হয়। এরপর কাটাবনে তৃতীয় শাখা হয়, যা পরে সায়েন্স ল্যাবে স্থানান্তরিত হয়। খুলনায় একটি শাখা এক বছরের জন্য সেবাদান করার পরে ফ্র্যান্চাইজ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। চতুর্থ শাখা হিসাবে 2016 সালে চট্টগ্রাম যাত্রা শুরু করে। ঢাকায় এর পরবর্তী শাখা হিসাবে উত্তরা আমাদের পছন্দের তালিকায় আছে। প্রতিটি শাখার অফিসিয়াল কালার রয়েছে, যা বিভিন্ন প্রমোশনাল কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হয়। শাখাসমূহের ঠিকানা ও যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এখানে। গ্রেকের প্রধান কার্যালয় হিসাবে বনানী দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমানে 2016 সাল থেকে লালমাটিয়া সানরাইজ প্লাজা গ্রেকের কর্পোরেট হেড কোয়ার্টার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

গ্রেকের পাঁচটি কর্পোরেট মোবাইল নম্বর মনে রাখুন সহজেই:

গ্রেক বিভিন্ন কোর্স করিয়ে থাকে:

জিআরই, আয়েল্টস সহ বিভিন্ন কোর্স গ্রেক থেকে করানো হয়ে থাকে। প্রতিটি কোর্স সংক্রান্ত তথ্য আলাদা আর্টিকেলের মধ্যে পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে। প্রতিটি কোর্সের ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে স্টুডেন্টরা তাদের নিজেদের মধ্যে পরিচিত হওয়া এবং অনলাইন অ্যাকাউন্টের ছবি তোলার জন্য কিছু সময় ব্যয় করেন। প্রতিটি ওরিয়েন্টেশন ক্লাসই তাই বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে শুরু হয়।

যে কোন নতুন ব্যাচ শুরু হবার আগে গ্রেকের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ ও গ্রুপে তা জানিয়ে দেওয়া হয়। উপরে জিআরই’র একটি ব্যাচের ওরিয়েন্টেশনের ছবি (বনানী শাখার)। নীচে লালমাটিয়া গ্রেক হেড কোয়ার্টারে একটি আয়েল্টস ব্যাচের ওরিয়েন্টেশনের ছবি দেওয়া হলো।

গ্রেকের কোয়ালিটি পলিসি:

গুণগত মান ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার

সর্বগ্রাহী (exhaustive) গবেষণার মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত কোর্সে গ্রেকের একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে, মার্জিত পোশাক পরিধান করে, সঠিক সময়ে ক্লাসে প্রবেশ করেন এবং ক্লাসে অবস্থানকালীন সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন। তিনি পাঠদানের বিষয়টিকে পবিত্র দায়িত্ব বিবেচনা করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রশ্নের উত্তরদানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তিনি পিছিয়ে থাকা বা দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ মনোযোগী থাকেন। লেকচার শীটে উল্লে­খিত সবগুলো বিষয় তিনি ক্লাসে আলোচনা করেন অথবা কিছু অংশ অনলাইন/বাড়ির কাজ হিসাবে প্রদান করেন। ক্লাসরুমের বাইরে তিনি অনলাইন স্টাডি ফোরামের মাধ্যমে স্টুডেন্টদের বিভিন্ন বাড়ির কাজে সাহায্য করেন। ক্লাসে তার মোবাইল বেজে ওঠে না এবং তিনি টেক্সটিং/ব্রাউজিং/ফেইসবুকিং জাতীয় কাজ থেকে বিরত থাকেন। শিক্ষার্থীদের কোন অ্যাসাইনমেন্ট বা কুইজ দিয়ে তিনি ক্লাসেই অবস্থান করে তাদের মনোভাব ও অগ্রগতি নিরীক্ষণ করেন। তিনি অহেতুক বা অপ্রাসঙ্গিক গল্প এড়িয়ে চলেন এবং ক্লাসের জন্য বরাদ্দকৃত সময়ের আগে ক্লাসরুম ত্যাগ করেন না।

গ্রেকের একজন দায়িত্বশীল শিক্ষার্থী উপরের কোন একটি বিষয়ে বিচ্যুতি ঘটলে তা সরাসরি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। এই পাঁচ ভাবে অভিযোগ জানানো যেতে পারে: () শাখা ম্যানেজারকে জানানো, () গোলাপী ফিডব্যাক কার্ড ব্যবহার, () অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর কোর্স রিভিউ অংশ থেকে () ওয়েবসাইটের About Us অংশে গিয়ে বেনামীতে ফিডব্যাক প্রদান এবং () অভিযোগ বা যে কোন তথ্য সরাসরি সি.ই.ও. কে ceo@grecbd.com ঠিকানায় ইমেইল দিয়ে জানানো।

আপনার মূল্যবান অর্থ ও সময় বিনিয়োগের বিপরীতে সর্বোচ্চ সেবা বুঝে নেবার দায়িত্ব আপনারই।

গ্রেকের ফ্যাকাল্টি:

ফ্যাকাল্টি হিসাবে গ্রেকের বিভিন্ন কোর্সে উচ্চ স্কোরধারী ও অভিজ্ঞ ট্রেইনাররা দায়িত্ব পালন করেন। অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি ভালো স্কোর ধারী অপেক্ষা ভালো পড়াতে পারার দক্ষতা এবং আন্ত: ব্যক্তিগত সম্পর্ক সুরক্ষা করতে পারেন এমন ব্যক্তিরাই ফ্যাকাল্টি হিসাবে সাফল্য পান। নীচের ছবিতে গ্রেকের ফ্যাকাল্টিদের একটি মিটিং এর মুহূর্ত দেখা যাচ্ছে। ছবিটি লালামাটিয়া শাখায় তোলা।

ট্রেনিং:

শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে মানোন্নয়নের অংশ হিসাবে গ্রেকে ফ্যাকাল্টি ট্রেনিংকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। গ্রেকের ফ্যাকাল্টিরা নিয়মিত এ ধরণের ট্রেনিং সেশনে অংশ নিয়ে থাকেন। নীচের ছবিতে গ্রেকের একটি ট্রেনিং সেশনে বনানী শাখার ফ্যাকাল্টি রাতুল সাকিবকে দেখা যাচ্ছে।

ফ্রি স্পোকেন সেবা:

টোফেল বা আয়েল্টস যে কোন পরীক্ষাতেই স্পীকিং অংশে বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের বিশেষ দুর্বলতা লক্ষ্য করা যায়। গ্রেক থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে একটি সেবা হলো গ্রেক চ্যাটিং ক্লাব, যার অধীনে আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শাখায় আগ্রহী স্টুডেন্টদের জড়ো করে ইংলিশ স্পিকিং প্র্যাকটিস করাই (চ্যাটিং ক্লাবের তথ্য জানা যাবে এখানে)। সাথে সহযোগিতার জন্য থাকেন গ্রেকের একজন ট্রেইনার। গ্রেক চ্যাটিং এর খবর আমাদের অফিসিয়াল পেইজ, গ্রুপ এবং ক্যালেন্ডারে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারপর অনলাইনে একটি ফরম পূরণ করে আগ্রহীরা বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করেন এবং নির্ধারিত দিনে যথাস্থানে চলে আসেন। নীচে এরকম একটি গ্রেক চ্যাটিং ক্লাবের সেশনের ছবি দেখা যাচ্ছে।

24 গিগাবাইট ম্যাটেরিয়াল ফ্রি ট্রান্সফার:

গ্রেকের ওয়েবসাইটে হায়ারস্টাডির দরকারী বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল ডাউনলোড (লিংক এখানে) করে নেবার ব্যবস্থা থাকলেও একসাথে এক বসায় দরকারী সবকিছু ল্যাপটপে ট্রান্সফার করে নেবার সুযোগ নি:সন্দেহে অনেক ভালো। গ্রেক থেকে মাসে একবার আমরা এরকম একটি ইভেন্টের আয়োজন করি যেখানে যে কেউ ফ্রি অংশ নেন এবং তার ল্যাপটপ নিয়ে আমাদের নির্ধারিত শাখায় এসে দরকারী সব ম্যাটেরিয়াল ট্রান্সফার করে নেন। নীচের ছবিতে এরকমই সবাইকে ল্যাপটপ সহ দেখা যাচ্ছে।

বই প্রকাশনী:

গ্রেক থেকে নিয়মিতভাবে আমরা বিভিন্ন দরকারী বই বের করে থাকি। আমাদের বই বিষয়ক তথ্য এই লিংকে পাবেন। গ্রেকের প্রতিটি শাখায় রয়েছে বই পড়া ও কেনার সুবিধা। নীচের ছবিতে কিছু স্টুন্টেকে গ্রেকের বই পড়তে দেখা যাচ্ছে।

উচ্চশিক্ষা সেমিনার:

হায়ারস্টাডির তথ্য সবার মাঝে পৌছে দেবার অংশ হিসাবে গ্রেক সারা বছর জুড়েই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ও নিজেদের ক্যাম্পাসে সেমিনার, ওয়ার্কশপ বা আড্ডার ব্যবস্থা করে থাকে। এই সেমিনারগুলো সব সময়েই ফ্রি হয়ে থাকে। আমাদের বিভিন্ন সেমিনারের তথ্য পাবেন এই লিংকে, এ ছাড়া আপনি চাইলে আমাদের সেমিনার টিম আপনার ক্যাম্পাসেও উচ্চশিক্ষা সেমিনার আয়োজন করতে পারে, যার তথ্য রয়েছে এখানে। নীচের ছবিতে এমনি একটি সেমিনারের অংশগ্রহণকারীদের একাংশকে দেখা যাচ্ছে।

ফ্রি আয়েল্টস ভিডিও লেকচার:

গ্রেকের পক্ষ থেকে নির্মিত হচ্ছে ৫২ পর্বের আয়েল্টস ভিডিও লেকচার, যা নিয়মিত আমাদের পেইজ ও গ্রুপে পাবলিশ করা হয়ে থাকে। সবগুলো ভিডিও’র তালিকা পাওয়া যাবে আমাদের আয়েল্টস পেইজে, যার লিংক এখানে।

দেশে বেড়াতে আসা অতিথির সাথে আড্ডা:

গ্রেক থেকে আমরা বিভিন্ন সময়ে ইউএসএ বা অন্য দেশ থেকে বেড়াতে আসা বাংলাদেশী গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট বা ফ্যাকাল্টির সাথে স্টুডেন্টদের অনানুষ্ঠানিক আসরের আয়োজন করি, যাকে সাধারণত: আমরা আড্ডা বলে ডাকি।

দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ভিডিও সাক্ষাৎকার:

ইতিমধ্যে হায়ারস্টাডির জন্য দেশের বাইরে পারি জমিয়েছেন এমন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রেকের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক ভাবে নির্মিত হচ্ছে ‘গ্রেক প্রোফাইল’ শিরোনামে সিরিজ ভিডিও সাক্ষাৎকার। যা গ্রেকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল (GREC) থেকে পাবলিশ করা হয়। এরপর তা উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী দেশের লাখো শিক্ষার্থীদের জন্য শেয়ার করা হয় আমাদের পেইজ ও গ্রুপে। সবগুলো ভিডিও’র তালিকা পাওয়া যাবে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলের গ্রেক প্রোফাইল পেইজে, যার লিংক এখানে।

English Description

The Graduate Resources Enhancing Center, Bangladesh (shortly, GRE Center, Bangladesh) is a semi non-profit organization in Bangladesh that provides preparatory courses on various national and international standardized tests.

  • Courses offered:
    • GREⓇ
    • GMATⓇ
    • SATⓇ
    • TOEFLⓇ
    • IELTSⓇ
    • IBA-BBA
    • IBA-MBA
    • BCS

Disclaimer of domain name:
The “grecenter” domain name stands for the shortened form of “Graduate Resources Enhancing Center”, a registered company in Bangladesh, and does not represent any relationship with the Registered Trademark “GREⓇ” of Educational Testing Service (ETS) of USA.

Serving in good faith of GREⓇ:
The activities of Graduate Resources Enhancing Center, Bangladesh does not compete with ETSⓇ in any manner. Moreover, it is constantly working to popularize GREⓇ among Bangladeshi students.